দেশে তৈরি পোশাক। পুরোটাই সুতির। চলতি ধারার এই পোশাক নিয়েই হয়ে গেল
একটি জমকালো ফ্যাশন শো। ১৮ জুলাই রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এই ফ্যাশন
শোর আগে অবশ্য একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।দিনব্যাপী আয়োজন শেষ হয় ‘কটন ডে
বাংলাদেশ ২০১৬’ ফ্যাশন শো দিয়ে। মোট পাঁচটি কিউতে তুলে ধরা হয় দেশে তৈরি
নানা ধরনের সুতি পোশাক। কটন কাউন্সিল ইন্টারন্যাশনালের (সিসিআই) এই
আয়োজনে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিল যুক্তরাষ্ট্রের কটন ইউএস ও ন্যাশনাল কটন
কাউন্সিলের একটি প্রতিনিধিদল।
![]() |
ফ্যাশনে দেশের পোশাক
বাংলাদেশের
বিভিন্ন ফ্যাশন হাউসের নকশা করা সুতি পোশাক দেখানো হয় ফ্যাশন শোতে।
ছেলে-মেয়ে ও শিশু-কিশোরদের নানা ধরনের পোশাক উঠে আসে র্যাম্পে। এর মধ্যে
চিকন শোল্ডারের লম্বা ঝুলের কামিজ, ডেনিম প্যান্টের ওপর খাটো ব্লেজার,
চওড়া গলার প্রিন্টের টি-শার্ট, হট প্যান্ট আর হাতাকাটা টপ, ছেলেদের
ক্যাজুয়াল শার্ট ও আংশিক প্রিন্টের টি-শার্ট দেখা যায়। গ্যাবার্ডিন
প্যান্টের ওপর সেমি ফরমাল শার্ট, পোলো শার্ট, ব্যান্ড কলার শার্টে ফুল
হাতা, পাঞ্জাবি থেকে লুঙ্গি সব ধরনেই পোশাকই পরেন মডেলরা। নানা নকশার
ফ্রক, শার্ট, টি-শার্ট ও খাটো প্যান্ট ছিল শিশু-কিশোরদের জন্য। ফ্যাশন
শোতে অ্যাম্বার গ্রুপ, নিউ এশিয়া গ্রুপ, স্কয়ার টেক্সটাইল লিমিটেড,
বেক্সিমকো গ্রুপের ইয়েলো ও আলমিরার পোশাক দেখা যায়।
বাংলাদেশ কটন ডে উপলক্ষে আন্তর্জাতিক কটন কাউন্সিলের এই আয়োজন নিয়ে ডিজাইনার শাহরুখ আমিন বলেন, ‘যেহেতু পোশাকগুলো সুতির, তাই আমি থিম রেখেছিলাম “ক্যাচিং ক্যাপটিভিটি”, যেখানে সাদা, কালো ও ছাই এই তিনটি রং নিয়ে পোশাকগুলোতে ফুল, পাখি ও খাঁচার নকশা করেছি। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে শান্তি প্রত্যাশার বিষয়টি তুলে ধরতে চেষ্টা করেছি পোশাকের মাধ্যমে।’
ফ্যাশন শোর কোরিওগ্রাফার ছিলেন আসাদ খান। সিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট কেইথ লুকাস বলেন, ‘সাম্প্রতিক ঘটনাবলিতে অনেকে এ দেশে আসতে ভয় পেলেও আমরা বাংলাদেশকে বেছে নিয়েছি। যদিও এই ঘটনায় আমরা ব্যথিত।’
বাংলাদেশ কটন ডে উপলক্ষে আন্তর্জাতিক কটন কাউন্সিলের এই আয়োজন নিয়ে ডিজাইনার শাহরুখ আমিন বলেন, ‘যেহেতু পোশাকগুলো সুতির, তাই আমি থিম রেখেছিলাম “ক্যাচিং ক্যাপটিভিটি”, যেখানে সাদা, কালো ও ছাই এই তিনটি রং নিয়ে পোশাকগুলোতে ফুল, পাখি ও খাঁচার নকশা করেছি। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে শান্তি প্রত্যাশার বিষয়টি তুলে ধরতে চেষ্টা করেছি পোশাকের মাধ্যমে।’
ফ্যাশন শোর কোরিওগ্রাফার ছিলেন আসাদ খান। সিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট কেইথ লুকাস বলেন, ‘সাম্প্রতিক ঘটনাবলিতে অনেকে এ দেশে আসতে ভয় পেলেও আমরা বাংলাদেশকে বেছে নিয়েছি। যদিও এই ঘটনায় আমরা ব্যথিত।’



0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন